শিল্পজাত পণ্যের বাহ্যিক নকশার রঙের সামঞ্জস্য
একটি ভালো পণ্যের বাহ্যিক রূপের জন্য সুন্দর রঙের সমন্বয় থাকা প্রয়োজন। পণ্যের এই একঘেয়েমির যুগে কীভাবে গ্রাহকদের মনোযোগ আকর্ষণ করা যায়? সেক্ষেত্রে এর বাহ্যিক রূপটি অবশ্যই সুন্দর হতে হবে। একটি ভালো পণ্য ডিজাইন সাধারণত তিনটির বেশি রঙ থাকে না। বেশি রঙ হলে দেখতে অগোছালো লাগবে। রঙগুলো তিনটি। যা পণ্যটিকে সহজ ও আরামদায়ক করে তুলবে।

১. শিল্পজাত পণ্যের ডিজাইনের রঙ একরকম নয়, এবং এর ক্রেতাগোষ্ঠীও ভিন্ন।
পণ্যের বিভিন্ন রঙ মানুষের মনোযোগ ভিন্নভাবে আকর্ষণ করে। যদি কোনো পণ্যের রঙ লাল হয়, তবে দূর থেকে মানুষের চোখ আকৃষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। আবার যদি পণ্যের রঙ ধূসর বা খুব অনুজ্জ্বল হয়, তবে দূর থেকে তা মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ নাও করতে পারে। সুতরাং, ভিন্ন ভিন্ন রঙ ভিন্ন ভিন্ন মানুষকে আকর্ষণ করে।
২. রঙ এবং রঙের মধ্যে বৈসাদৃশ্য
রঙ এবং পণ্যটির মধ্যকার সম্পর্ক হিসেবে, মূলত পণ্যের বাহ্যিক নকশায় রঙের ব্যবহারের মাধ্যমেই এর অভ্যন্তরীণ কার্যকারিতা প্রকাশিত বা প্রতিফলিত হয়। বৈসাদৃশ্যের সম্পর্কের ক্ষেত্রে, এটি পণ্যের নকশায় প্রতিফলিত হয় এবং এই বৈসাদৃশ্য সম্পর্কটি খুবই সুস্পষ্ট ও প্রচলিত। এই বৈসাদৃশ্যগুলোর তুলনার ক্ষেত্রে সাধারণত নিম্নলিখিত দিকগুলো থাকে: অর্থাৎ, রঙের ব্যবহারের গভীরতার বৈসাদৃশ্য, রঙের ব্যবহারের আলোর বৈসাদৃশ্য, রঙের ব্যবহারের স্থানিক অনুপাত, রঙের ব্যবহারের সরল বৈসাদৃশ্য, রঙের ব্যবহারের মার্জিত বৈসাদৃশ্য, রঙের ব্যবহারের বৈপরীত্য ইত্যাদি।
এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য, ডিজাইনারদের রঙ মেলানোর নীতি ও দক্ষতা সম্পর্কে গভীর ধারণা থাকতে হবে এবং এর সাথে পণ্যের বাস্তব ব্যবহার, পরিবেশ ও ব্যবহারকারীর চাহিদা, উদ্ভাবন এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার সমন্বয় ঘটাতে হবে। একই সাথে, শিল্পের প্রবণতা এবং বাজারের পরিবর্তনের দিকেও মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন, যাতে পরিবর্তনশীল বাজারের চাহিদা মেটাতে সময়মতো ডিজাইন কৌশল সামঞ্জস্য করা যায়।









